• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

ছাতকে সরকারি বাসায় বিএনপি নেতার বসবাস

চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম এখন সরকারি বাসায় রাজারহালে বসবাস করছেন। ফ্লাড সেন্টারের দক্ষিন ও উপজেলা ভূমি অফিসের পূর্বের বাসাটি তার নামে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্যে বরাদ্ধকৃত বাসায় সাধারন মানুষ থাকার আইন না থাকলেও এখানে এ আইন মানা হচ্ছেনা।

আব্দুল আলিম ২০১৬সালের মার্চে অনুষ্টিত ইউপি নির্বাচনে উত্তর খুরমা ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে মাত্র দেড় শ’ ভোট পেয়ে জাতীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এর গায়েও কলঙ্ক লেপন করেন তিনি। যদিও সারাদেশে দলীয় প্রতীক ছাড়াই ওয়ার্ড মেম্বার পদে নির্বাচন করে কোন প্রার্থীই দেড় শ’ ভোটের কম পায়নি। এতো কিছুর পরেও তিনি সরকারি বাসায় পরিবার নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন দোর্দন্ড প্রতাপে। নির্বাচনে হাতে গোনা ক’টি ভোট পাওয়ার পর তার হিতাকাংখীরা লোক লজ্জার ভয়ে কয়েকদিন বাসা থেকে বের হতে তাকে বারন করেন। এছাড়া আব্দুল আলিম এলাকায় একজন পেশাদার পরচর্চাকারি হিসেবে পরিচিত। পরচর্চা ও পরনিন্দা করাই তার একমাত্র পেশা। কোন ব্যবসা-বানিজ্য ছাড়াই পরিবার নিয়ে শহরে বসবাস ও ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার ব্যয়ভারের ফিরিস্তি টানতে গেলেই বেরিয়ে পড়বে থলের কালো বেড়াল। তার আয়ের উৎস নিয়েই এখন সর্বমহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। নিজের দোষ না দেখে পরের দোষ খুটিয়ে খুটিয়ে বের করে দিন-রাত পরচর্চা করা এখন তার নেশাও পেশা। এ নেশা তার দীর্ঘদিনের। এসব পরনিন্দার পেছনে ছিল তার ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের ধান্ধা। অনেক সময় দেখা গেছে, যাদের বিরুদ্ধে সে জীবনবাজি রেখে নিন্দা করেছে, কিছু দিনের মধ্যেই স্বার্থের বশবর্তী হয়ে তাদের সাথে পূনরায় সম্পর্ক গড়া হয়েছে। এখন তার এসব অপকর্ম চাউর হয়ে আছে সর্বমহলে। এজন্যেই সমাজে সে এখন ধিকৃত ও নিন্দিত।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামান জানান, তিনি সরকারি বাসা বরাদ্ধ কমিটির কোন পদ-পদবিতে নেই। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)ও সরকারি বাসা বরাদ্ধ কমিটির সেক্রেটারী সমরেন্দ্র দাস তালুকদার এর সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যানও বাসা বরাদ্ধ কমিটির সভাপতি অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল বলেন, সরকারি কোন বাসা পরিত্যাক্ত থাকার চেয়ে নিম্ন আয়ের কোন লোকের নামে বরাদ্ধ দেয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে দলীয় বিষয় কোন ভাবেই বিবেচ্য নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ